Home | Profile | Credit History | Withdraw Details | Withdraw | Apps | FAQ | Pay Proofs | FB Group | Login | Registration
Are You New? Please Visit: How To Work..
যে সব কারণে আইডি ব্যান করা হবে ..বিস্তারিত..
Please Go "How to Work" page If you are New in this site...

Today's Working Rate is 1$ for 650 Credit | Dollar Rate : 1$ =79 TK | Minimum Withdraw 10 TK Only for Mobile Recharge

My Task


Read This News ↓
Go Down For Collect Your Credit ↓
শীতে পা ফাটা রোধে করনীয়!

শীতে পা ফাটা রোধে করনীয়!

বাংলায় একটা প্রবচন আছে, কোনো নারী কতোটা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও গোছানো স্বভাবের সেটা জানতে হলে তার পায়ের গোড়ালি লক্ষ করতে বলা হয়। এই ব্যাপারে এটা ভাবা হয়ে থাকে যে যে নারীর পা ও পায়ের গোড়ালি পরিষ্কার তার স্বভাবও হয় পরিষ্কার ও গোছানো স্বভাবের।

তবে শীত এলেই পা ফাটা নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়। ফাটা পা দেখতেও বিশ্রী লাগে। সবটুকু সৌন্দর্য নষ্ট করে দেয়ার জন্য একজোড়া ফাটা পা-ই যথেষ্ট। পা ফাটা নিয়ে বিব্রত হতে হবে বলে অনেকে ঘর থেকেই বের হতে চান না। কিন্তু ঘরে বসে থাকা তো আর সমাধান নয়।

একটু সচেতন হয়ে যত্ন নিলেই এই শীতেও পা থাকবে কোমল ও পরিষ্কার। চলুন জেনে নিই, পা ফাটা দূর করার কয়েকটি কার্যকর উপায়।
পা ফাটার কারণ-
শুধু শীতেই নয়, প্রচণ্ড গরমেও পা ফেটে যায়। তেল বা ক্রিম লাগিয়ে পাকে ফাটার হাত থেকে আমরা বাঁচানোর চেষ্টা করি। কিন্তু কী কারণে পা ফাটে চলুন সেটা জেনে নেই।
১. খালি পায়ে ঘোরার ফলে পায়ে এক ধরনের ফাঙ্গাস তৈরি হয়। এই ফাঙ্গাসটাই ধীরে ধীরে বেড়ে পায়ের গোড়ালিতে ছড়ায়। আর এর ফলেই পা ফেটে যায়।
২. আমরা বাড়িতে সাধারণত ঘর পরিষ্কার করার জন্য যেসব ডিটার্জেন্ট বা সাবান ব্যবহার করি তা পায়ে লাগার ফলেও পা ফেটে যায়।
৩. বেশি সময় পানিতে থাকার ফলেও পা ফেটে যায়।
৪. প্লাস্টিকের জুতা চপ্পল পরার ফলেও পা ফেটে যায়।
৫. অত্যধিক ওজন থাকার ফলে পায়ের ওপর অত্যধিক চাপ পড়ে, সে কারণেও পা ফেটে যায়।
৬. শরীরে ভিটামিন, আয়রন ও ক্যালসিয়ামের অভাব হলেও পা ফেটে যায়।
৭. সুতরাং এসব বিষয় লক্ষ্য রেখে কারণগুলো এড়িয়ে চললেই পা ফাটা প্রতিরোধ করা সম্ভব।
প্রতিকার-
১. খুব ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় পা মোজা দিয়ে ঢেকে রাখুন।
২. ঘরের ভেতরে মেঝেতে স্যান্ডেল ব্যবহার করুন।
৩. শীতকালে গোড়ালি ঢাকা ও আরামদায়ক জুতা পরার চেষ্টা করুন।
৪. শীতকালীন শাকসবজি বেশি বেশি খান।
৫. শীতকালে অনেকেরই পানি পানের পরিমাণ কমে যায়। সেক্ষেত্রে যথেষ্ট পরিমাণ পানি পান করতে হবে।
৬. প্রতিদিন গোসল বা অজুর সময় পা ভেজানোর পর শুকনো তোয়ালে বা কাপড় দিয়ে ভালো করে মুছে নিন।
৭. গোড়ালি ও তালুতে পেট্রোলিয়াম জেলি বা গ্লিসারিন মাখুন।
৮. সপ্তাহে অন্তত এক দিন পায়ের বিশেষ যত্ন নিন।
৯. গামলায় লেবুর রসমিশ্রিত হালকা গরম পানিতে পা ভিজিয়ে পা ঘষে মৃত কোষ ফেলে দিন। লেবুর রসে যে অ্যাসিটিক অ্যাসিড আছে তা মৃত কোষ ঝরতে সাহায্য করবে। তারপর পা মুছে পেট্রোলিয়াম জেলি বা গ্লিসারিন লাগিয়ে নিন।
১০. জটিলতা বেশি হলে বা সংক্রমণ হয়েছে মনে হলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।



Developed By: Sakil Suva
        If You Have Any Questions feel free to ask us